বেন অ্যাফ্লেক, মার্ক অ্যান্থনি কিংবা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের মতো তারকাদের সঙ্গে হাই-প্রোফাইল সম্পর্কে জড়ানো এবং বিচ্ছেদের কারণে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন ৫৬ বছর বয়সী এই গায়িকা। নিজের জীবনের সেইসব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, মানসিকভাবে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তন ও পরিপক্বতা সাধারণত মন ভাঙার পরই আসে। তা কেবল প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রেই নয়, কর্মক্ষেত্রের ব্যর্থতা বা যেকোনো ধাক্কার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ ধাক্কা খেলেই মানুষ পেছনের কারণগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে শুরু করে, নিজের ভুলগুলো খোঁজে এবং নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলার অনুপ্রেরণা পায়।
ভবিষ্যৎ সঙ্গীর ক্ষেত্রে বাহ্যিক রূপের চেয়ে ভেতরের মানুষটিকে বেশি প্রাধান্য দেন বলে জানান এই তারকা। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রাক্তনদের সঙ্গে ঠিক কতটুকু দূরত্ব বজায় রাখতে হয়, তা-ও বেশ ভালোভাবেই জানা আছে লোপেজের। বিচ্ছেদের পর নিজেকে সামলে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে কাজ করে যাওয়ার এক অনন্য নজির গড়েছেন তিনি, যার প্রমাণ মিলেছে বিচ্ছেদের মাত্র কয়েক মাস পরই সাবেক স্বামী বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে হাসিমুখে রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে সিনেমার প্রচারণা করার মাধ্যমে। অবশ্য সম্পর্কের ইতি টানার ব্যাপারে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে লোপেজ স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো সম্পর্কের অধ্যায় একবার পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে, সেই মানুষটি তার কাছে চিরতরে মৃত।
সূত্র: পিপল ডট কম