ডেস্কনিউজঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বৈঠকে দুই নেতা ইরানকে পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে না দেওয়ার ইস্যু নিয়েও একমত পোষণ করেছেন বলে জানায় হোয়াইট হাউস। আজ বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে। এর মধ্যে চীনের বাজারে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রবেশাধিকার আরও সম্প্রসারণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ও ছিল। বৈঠকের একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান প্রসঙ্গেও দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। যদিও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ বিষয়ে খুব কম উল্লেখ ছিল তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না বলে দুই নেতা একমত হয়েছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে যে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে হরমুজ প্রণালি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই নৌপথের নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস আরও জানায়, প্রেসিডেন্ট শি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যাতে চীনের হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।
এদিকে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল তৈরির উপকরণ প্রবাহ বন্ধের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। এর আগে চীন থেকে সরবরাহ হওয়া রাসায়নিক উপাদান যুক্তরাষ্ট্রে মাদক সংকটকে আরও তীব্র করছে বলে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বৈঠকে দুই নেতা ইরানকে পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে না দেওয়ার ইস্যু নিয়েও একমত পোষণ করেছেন বলে জানায় হোয়াইট হাউস। আজ বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে। এর মধ্যে চীনের বাজারে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রবেশাধিকার আরও সম্প্রসারণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ও ছিল। বৈঠকের একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান প্রসঙ্গেও দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। যদিও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ বিষয়ে খুব কম উল্লেখ ছিল তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না বলে দুই নেতা একমত হয়েছেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে যে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে হরমুজ প্রণালি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই নৌপথের নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস আরও জানায়, প্রেসিডেন্ট শি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যাতে চীনের হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।
এদিকে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেন্টানিল তৈরির উপকরণ প্রবাহ বন্ধের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। এর আগে চীন থেকে সরবরাহ হওয়া রাসায়নিক উপাদান যুক্তরাষ্ট্রে মাদক সংকটকে আরও তীব্র করছে বলে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন।
কিউটিভি/বিপুল/১৪.০৫.২০২৬/সন্ধ্যা ৬.৪৫